বিএনপি রাজনৈতিক সংকট তৈরি করছে উল্লেখ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, গণভোটে দেশের ৭০ শতাংশ জনগণের রায় মেনে না নিয়ে বিএনপি শুধু প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করছে না, জনগণের সঙ্গে প্রতারণাও করছে। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং বর্তমান সরকারের মন্ত্রীরাও গণভোটে হ্যাঁ ভোট চেয়েছেন। কিন্তু গণভোটে হ্যাঁ জয়যুক্ত হওয়ার পর মানছে না দলটি।
বিএনপি রাজনৈতিক সংকট তৈরি করছে উল্লেখ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, গণভোটে দেশের ৭০ শতাংশ জনগণের রায় মেনে না নিয়ে বিএনপি শুধু প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করছে না, বরং জনগণের সাথে স্পষ্ট প্রতারণা করছে।
আজ এক সংবাদ সম্মেলনে দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনাকালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, “গণভোটের আগে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব থেকে শুরু করে বর্তমান সরকারের মন্ত্রীরা পর্যন্ত জনগণের কাছে ‘হ্যাঁ’ ভোট চেয়েছিলেন। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজেও গণভোটে অংশ নিতে এবং ইতিবাচক রায় দিতে জনগণকে উৎসাহিত করেছিলেন। কিন্তু এখন যখন গণভোটে জনগণের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতার (৭০ শতাংশ) প্রতিফলন ঘটেছে, তখন বিএনপি সেই রায়কে অস্বীকার করছে।”
রাজনৈতিক সংকটের আশঙ্কা
জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল আরও বলেন, জনরায় মেনে না নেওয়া একটি গণতান্ত্রিক দলের জন্য শোভনীয় নয়। বিএনপি ইচ্ছাকৃতভাবে দেশে একটি নতুন রাজনৈতিক সংকট তৈরি করার চেষ্টা করছে। তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, “যাঁরা গণভোটের আগে এক কথা বলেন এবং ফলাফল আসার পর ভিন্ন সুরে কথা বলেন, জনগণ তাঁদের ওপর কীভাবে আস্থা রাখবে?”
জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন
বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, দেশের সাধারণ মানুষ স্থিতিশীলতা এবং একটি সুষ্ঠু সমাধান চায়। গণভোটে সেই আকাঙ্ক্ষারই প্রতিফলন ঘটেছে। এই রায়কে বিতর্কিত করা মানে জনগণের দীর্ঘদিনের চাওয়াকে অবমাননা করা। তিনি বিএনপিকে হঠকারী সিদ্ধান্ত পরিহার করে জনরায় মেনে নিয়ে সুস্থ ধারার রাজনীতিতে ফেরার আহ্বান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা বর্তমান প্রেক্ষাপটে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ ও জনগণের স্বার্থে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
উল্লেখ্য, সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও জ্বালানি সংকট নিরসনের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ৯ এপ্রিল থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত সারাদেশে গণসংযোগ অভিযান কর্মসূচি পরিচালিত হবে।
এমআরআর/এমএসএ

