রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও আদাবর এলাকায় পৃথক দুটি ছিনতাইয়ের ঘটনায় দেশীয় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে দুই ব্যক্তি আহত হয়েছেন। এর মধ্যে আদাবরের শ্যামলী হাউজিং এলাকায় এক পাঠাও ডেলিভারি ম্যানকে জিম্মি করে নগদ ৭০ হাজার টাকা ও মোবাইল ফোনসহ সর্বস্ব লুটে নিয়েছে ৮-১০জনের একটি ছিনতাইকারী চক্র।
নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও আদাবর এলাকায় পৃথক দুটি ছিনতাইয়ের ঘটনায় জনমনে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। দেশীয় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে দুই ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়েছেন। এর মধ্যে আদাবরের শ্যামলী হাউজিং এলাকায় এক পাঠাও ডেলিভারিম্যানকে জিম্মি করে নগদ ৭০ হাজার টাকা ও মোবাইল ফোনসহ সর্বস্ব লুটে নিয়েছে ৮-১০ জনের একটি সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্র।
আদাবরে দুর্ধর্ষ ছিনতাই
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আদাবরের শ্যামলী হাউজিং এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে এক পাঠাও ডেলিভারিম্যানকে গতিরোধ করে একদল ছিনতাইকারী। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ৮ থেকে ১০ জনের একটি দল দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাকে ঘিরে ধরে। ডেলিভারিম্যান বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করা হয়। ছিনতাইকারীরা তার কাছে থাকা ডেলিভারির নগদ ৭০ হাজার টাকা এবং ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি ছিনিয়ে নিয়ে নির্বিঘ্নে পালিয়ে যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মোহাম্মদপুরে আতঙ্ক
অন্যদিকে, মোহাম্মদপুর এলাকায় অপর একটি ছিনতাইয়ের ঘটনায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আরও এক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। গভীর রাতে নির্জন রাস্তায় তাকে আটকে মানিব্যাগ ও মূল্যবান সামগ্রী ছিনিয়ে নেয় দুর্বৃত্তরা। আহত ব্যক্তি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সাম্প্রতিক সময়ে মোহাম্মদপুর, আদাবর ও শ্যামলী এলাকায় ছিনতাইকারী ও কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর এবং ভোরে নির্জন রাস্তায় সাধারণ মানুষের চলাফেরা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
”আমরা নিয়মিত টহল দিচ্ছি, তবে গলিগুলোর ভেতরে হুটহাট এমন ঘটনা ঘটছে। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অপরাধীদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।” — সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ
তদন্ত ও ব্যবস্থা: পুলিশ জানিয়েছে, উভয় ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আদাবরের ঘটনায় জড়িত ৮-১০ জনের চক্রটিকে ধরতে বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে। এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী।

