ঢাকাWednesday , 8 April 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ক্যাম্পাস
  5. খেলা
  6. ধর্ম
  7. প্রবাস
  8. বিনোদন
  9. মতামত
  10. রাজনীতি
  11. সারাদেশ
  12. স্বাস্থ্য
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পর্যটন শিল্পের বিকাশে সমন্বিত উদ্যোগ: একটি কৌশলগত রূপরেখা

Link Copied!

দুই দশকের মহাপরিকল্পনায় দেশের পর্যটন শিল্প: সমন্বিত রূপরেখা দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা তারিখ: ৮ এপ্রিল, ২০২৬

দেশের পর্যটন খাতকে বিশ্বমানের করে গড়ে তুলতে আগামী ২০ বছরের জন্য একটি সমন্বিত উদ্যোগ ও কৌশলগত রূপরেখা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি জানিয়েছেন, এই মহাপরিকল্পনার সফল বাস্তবায়ন হলে পর্যটন শিল্প দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তিতে পরিণত হবে।

গতকাল রাজধানীতে পর্যটন উন্নয়ন বিষয়ক এক উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই রূপরেখার কথা জানান।

দুই দশকের মহাপরিকল্পনা ও কৌশলগত লক্ষ্য

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, এই মহাপরিকল্পনায় কেবল অবকাঠামোগত উন্নয়ন নয়, বরং পরিবেশ সুরক্ষা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণকে সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। রূপরেখাটির প্রধান দিকগুলো হলো:

  • সমন্বিত পর্যটন জোন: দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিচ্ছিন্ন পর্যটন কেন্দ্রগুলোকে একটি নেটওয়ার্কের আওতায় এনে সমন্বিত পর্যটন জোন তৈরি করা।

  • অবকাঠামোগত উন্নয়ন: পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে যাতায়াত ব্যবস্থা সহজতর করতে উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং আধুনিক আবাসন নিশ্চিত করা।

  • ইকো-ট্যুরিজম ও টেকসই উন্নয়ন: প্রাকৃতি ও পরিবেশের ক্ষতি না করে টেকসই পর্যটন নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া।

  • ডিজিটাল ও স্মার্ট ট্যুরিজম: পর্যটকদের নিরাপত্তা ও তথ্যের জন্য আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশের পর্যটনকে ব্র্যান্ডিং করা।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, “বাংলাদেশ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক অপরূপ আধার। কিন্তু এতদিন আমাদের এই খাতের সম্ভাবনাকে পূর্ণাঙ্গভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি। আগামী দুই দশকের এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে পর্যটন খাত থেকে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন কয়েক গুণ বৃদ্ধি পাবে এবং লক্ষ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।”

তিনি আরও জানান, বেসরকারি উদ্যোক্তাদের এই খাতে বিনিয়োগে উৎসাহিত করতে সরকার বিশেষ প্রণোদনা ও আইনি সহায়তা নিশ্চিত করবে।

অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই দীর্ঘমেয়াদী রূপরেখা দেশের পর্যটন শিল্পে বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসবে। যথাযথ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ একটি অন্যতম প্রধান পর্যটন গন্তব্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন। একই সাথে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিশেষ পর্যটন পুলিশ ইউনিটকে আরও শক্তিশালী করার ঘোষণা দেওয়া হয়।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।