ঢাকাSunday , 8 March 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ক্যাম্পাস
  5. খেলা
  6. ধর্ম
  7. প্রবাস
  8. বিনোদন
  9. মতামত
  10. রাজনীতি
  11. সারাদেশ
  12. স্বাস্থ্য
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রাজনৈতিক দলে ৩৩ শতাংশ নারীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিতের দাবি মহিলা পরিষদের

Link Copied!

৪ বা ১০ শতাংশ নয়, প্রতিটি রাজনৈতিক দলে নারীর প্রতিনিধিত্ব ৩৩ শতাংশ নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। পাশাপাশি রাজনৈতিক ইশতেহার কতদিনে বাস্তবায়ন করা হবে তার সুনির্দিষ্ট সময়সীমা নারী সমাজ জানতে চায়। সংসদের গতানুগতিক চেহারা পরিবর্তিত হতে হবে বলেও দাবি মহিলা পরিষদের।

অংশগ্রহণ নিয়ে লুকোচুরি বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। সংগঠনটি স্পষ্ট করে বলেছে, ৪ বা ১০ শতাংশ নয়, প্রতিটি রাজনৈতিক দলের সকল স্তরে নারীর অন্তত ৩৩ শতাংশ প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে হবে। রোববার (৮ মার্চ) আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এই দাবি জানান।

৪ বা ১০ শতাংশ নয়, চাই ৩৩ শতাংশ

​সংবাদ সম্মেলনে মহিলা পরিষদের নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন যে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী ২০২০ সালের মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর সকল কমিটিতে ৩৩ শতাংশ নারী সদস্য নিশ্চিত করার কথা থাকলেও অধিকাংশ দলই তা পালনে ব্যর্থ হয়েছে। তারা বলেন, “রাজনৈতিক দলগুলো ৪ বা ১০ শতাংশ নারী সদস্য দেখিয়ে দায় সারতে চায়। কিন্তু আমরা স্পষ্ট বলতে চাই, দেশের অর্ধেক জনসমষ্টিকে পেছনে ফেলে গণতন্ত্র পূর্ণতা পাবে না। প্রতিটি রাজনৈতিক দলের প্রতিটি স্তরে ৩৩ শতাংশ নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।”

ইশতেহার বাস্তবায়নের সময়সীমা জানতে চায় নারী সমাজ

​নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে রাজনৈতিক দলগুলো নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে বড় বড় প্রতিশ্রুতি দিলেও নির্বাচনের পর তা ভুলে যায় বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়। মহিলা পরিষদ দাবি তুলেছে:

​“রাজনৈতিক ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো ঠিক কতদিনের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হবে, তার একটি সুনির্দিষ্ট সময়সীমা নারী সমাজকে জানাতে হবে। কেবল কাগজে-কলমে প্রতিশ্রুতি দিলে চলবে না, তার বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।”

 

সংসদের গতানুগতিক চেহারা পরিবর্তনের ডাক

​জাতীয় সংসদের বর্তমান কাঠামোর সমালোচনা করে নেতৃবৃন্দ বলেন, সংসদের গতানুগতিক চেহারা পরিবর্তিত হতে হবে। তারা সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের পরিবর্তে সরাসরি নির্বাচনের মাধ্যমে নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধির ওপর জোর দেন এবং সংসদীয় কার্যক্রমে নারীর জোরালো ভূমিকা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

অন্যান্য দাবি ও কর্মসূচি

​সংবাদ সম্মেলনে আরও উল্লেখ করা হয় যে, রাজনীতিতে নারীর জন্য সংঘাতমুক্ত ও অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধ এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ারও দাবি জানানো হয়।

​সংবাদ সম্মেলনে মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ, জেলা প্রতিনিধি এবং নারী অধিকার কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বিকল্প শিরোনাম: * ‘প্রতিশ্রুতি নয়, বাস্তবায়ন চাই’: রাজনীতিতে ৩৩ শতাংশ নারী কোটা নিয়ে সোচ্চার মহিলা পরিষদ

  • রাজনৈতিক ইশতেহার বাস্তবায়নের সময়সীমা ঘোষণার দাবি মহিলা পরিষদের

দাবিগুলো হলো:

১. নারীর সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা ও সুরক্ষায় সব ধরনের বৈষম্য নিরসন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার পদক্ষেপ রাষ্ট্রকে নিতে হবে।

২. নারী ও কন্যাশিশুর বিরুদ্ধে সহিংসতার প্রতিটি ঘটনার দ্রুত, নিরপেক্ষ ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

৩. বিচারহীনতার সংস্কৃতি অবসান করে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

৪. বাল্যবিবাহ, যৌন হয়রানি, পারিবারিক সহিংসতা ও পাচার রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

৫. নারীর মানবাধিকার বিরোধী যেকোনো বক্তব্য প্রচার প্রচারণার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

৬. নারী বিরোধী প্রথা সংস্কারের লক্ষ্যে সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানায় এ সমাবেশ।

৭. এই সমাবেশ বৈচিত্র্যকে ধারণ করে অন্তর্ভূক্তিমূলক নারী আন্দোলন গড়ে তোলার প্রত্যয় ঘোষণা করছে।

৮. জেন্ডার বাজেট প্রণয়ন

জেইউ/জেডএস

 

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।