আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার দুই মাসেরও কম সময় বাকি। আর এর মধ্যেই দুঃসংবাদ পেল ফ্রান্স ফুটবল দল। মঙ্গলবার রাতে চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচে পিএসজির বিপক্ষে ম্যাচে গুরুতর আহত হয়ে মাঠ ছাড়েন হুগো একিতিকে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর খবর অনুযায়ী, মারাত্মক ইনজুরিতে পড়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে তার বিশ্বকাপ খেলা।
স্পোর্টস ডেস্ক: আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপ শুরু হতে বাকি আর মাত্র দুই মাসেরও কম সময়। ঠিক এই মুহূর্তেই বড় এক দুঃসংবাদ এলো বর্তমান রানার্সআপ ফ্রান্স শিবিরে। চ্যাম্পিয়নস লিগের হাই-ভোল্টেজ ম্যাচে পিএসজির হয়ে খেলার সময় গুরুতর চোট পেয়ে মাঠ ছেড়েছেন উদীয়মান তারকা ফরোয়ার্ড হুগো একিতিকে। তার এই আকস্মিক ইনজুরি ফরাসি কোচ দিদিয়ের দেশমের বিশ্বকাপ পরিকল্পনাকে বড় ধরনের সংকটে ফেলে দিয়েছে।
যেভাবে ঘটলো দুর্ঘটনা
মঙ্গলবার রাতে চ্যাম্পিয়নস লিগের একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পিএসজির হয়ে মাঠে নেমেছিলেন একিতিকে। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে বল দখলের লড়াইয়ে প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারের সঙ্গে সংঘর্ষে পায়ে মারাত্মক আঘাত পান তিনি। যন্ত্রণায় কাতরাতে থাকা এই তরুণ তুর্কিকে দ্রুত স্ট্রেচারে করে মাঠের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রাথমিক শুশ্রূষায় কাজ না হওয়ায় তাকে সরাসরি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।
চিকিৎসক ও সংবাদমাধ্যমের ভাষ্য
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, একিতিকের চোট বেশ গুরুতর। প্রাথমিক পরীক্ষায় তার লিগামেন্ট বা পেশিতে বড় ধরনের চিড় ধরার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। যদিও ক্লাবের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক মেডিকেল রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়নি, তবে নির্ভরযোগ্য সূত্রের খবর—মাঠের বাইরে তাকে দীর্ঘ সময় কাটাতে হতে পারে।
ফ্রান্স শিবিরে দুশ্চিন্তা
বিশ্বকাপের দল ঘোষণার আগ মুহূর্তে একিতিকের মতো ফর্মে থাকা স্ট্রাইকারের অনিশ্চয়তা ফ্রান্সের আক্রমণভাগকে দুর্বল করে দিতে পারে। বিশেষ করে কিলিয়ান এমবাপ্পের সাথে তার রসায়ন নিয়ে যখন ভক্তরা আশাবাদী ছিলেন, তখন এমন খবর ফরাসি ফুটবল সমর্থকদের জন্য এক বড় আক্ষেপের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
অনিশ্চিত বিশ্বকাপ
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের ইনজুরি থেকে পুরোপুরি সেরে উঠে ম্যাচে ফিরতে অন্তত তিন থেকে চার মাস সময় লাগে। যদি তাই হয়, তবে আসন্ন বিশ্বকাপে একিতিকের মাঠে নামা প্রায় অসম্ভব। এখন ফুটবল বিশ্ব তাকিয়ে আছে তার চূড়ান্ত মেডিকেল রিপোর্টের দিকে, যেখান থেকেই স্পষ্ট হবে তিনি কি পারবেন বিশ্বকাপের বিমানে চড়তে, নাকি সাইডলাইনে বসেই দেখতে হবে বিশ্বমঞ্চের লড়াই।

