সুপার এইট পর্ব থেকেই বিশ্বকাপকে বিদায় বলেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে দেশে ফেরা হচ্ছিল না সাই হোপ-শিমরন হেটমায়ারদের। চার্টাড বিমানে করে দেশে ফেরার কথা থাকলেও সেটার ব্যবস্থা করাও সম্ভব হয়নি। এমতাবস্থায় বাণিজ্যিক বিমানেই দেশে ফিরতে হচ্ছে তাদের।
সুপার এইট পর্ব থেকে বিদায় নিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শেষ করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। মাঠের লড়াই শেষ হলেও মাঠের বাইরের লড়াইয়ে বেশ বিপাকে পড়তে হয়েছে সাই হোপ ও শিমরন হেটমায়ারদের। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে উদ্ভূত আকাশপথ জটিলতায় দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে বাণিজ্যিক বিমানেই দেশে ফিরতে হচ্ছে ক্যারিবীয় দলের ৯ ক্রিকেটারকে।
চার্টার্ড ফ্লাইটের অনিশ্চয়তা
পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ডের (CWI) পক্ষ থেকে ক্রিকেটারদের জন্য বিশেষ চার্টার্ড বিমানের ব্যবস্থা করার কথা ছিল। তবে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতির কারণে অনেক দেশের আকাশসীমা বন্ধ থাকায় এবং বিমান চলাচলে কড়াকড়ি আরোপ করায় সেই চার্টার্ড ফ্লাইটের অনুমতি মেলেনি। ফলে ক্রিকেটাররা বেশ কয়েক দিন ধরে দেশে ফেরার অপেক্ষায় প্রহর গুনছিলেন।
বিকল্প হিসেবে বাণিজ্যিক বিমান
পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার কোনো লক্ষণ না দেখে এবং ক্রিকেটারদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে শেষ পর্যন্ত বাণিজ্যিক বিমানের টিকিট কাটার সিদ্ধান্ত নেয় বোর্ড। জানা গেছে, সাই হোপ, শিমরন হেটমায়ারসহ মোট ৯ জন ক্রিকেটারকে ছোট ছোট গ্রুপে ভাগ করে বাণিজ্যিক ফ্লাইটে পাঠানো হচ্ছে। সরাসরি কোনো রুট সহজলভ্য না হওয়ায় একাধিক দেশ ঘুরে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে তাদের ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জে পৌঁছাতে হবে।
ক্রিকেটারদের প্রতিক্রিয়া
দীর্ঘদিন ধরে পরিবারের বাইরে থাকা এবং বিশ্বকাপের ভরাডুবির পর এমন অনিশ্চয়তায় ক্রিকেটারদের মধ্যে কিছুটা ক্লান্তি দেখা দিয়েছে। তবে বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, “পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিল। ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার, তাই বিকল্প পথে তাদের দ্রুত ফেরানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।”
সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ:
- দল: ওয়েস্ট ইন্ডিজ (৯ জন ক্রিকেটার)।
- কারণ: মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ও আকাশপথ জটিলতা।
- সমাধান: চার্টার্ড ফ্লাইটের বদলে বাণিজ্যিক বিমানে প্রত্যাবর্তন।
এঘটনায় আইসিসির ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও দক্ষিণ আফ্রিকার কয়েকজন ক্রিকেটার। অন্যদিকে ইংল্যান্ড সেমিফাইনালে হেরে গত শনিবারই দেশে ফিরে যাওয়ায় আইসিসির বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ ওঠে। যদিও সেই অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে আইসিসি।
এমএমএম/

