ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্সের সাবেক ডিএমডি ও ভাইস প্রেসিডেন্টের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা
নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের প্রেক্ষিতে ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের সাবেক উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) এবং বর্তমানের একজন শীর্ষ কর্মকর্তার বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন আদালত।
নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন— ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্সের সাবেক ডিএমডি মাহমুদ হাসান এবং প্রতিষ্ঠানটির সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট জান্নাতুন নেসা জাকিয়া।
আদালতের আদেশ ও প্রেক্ষাপট
আজ সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারক এই আদেশ প্রদান করেন। মামলার তদন্ত চলাকালীন আসামিরা দেশত্যাগ করে বিচারিক প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করতে পারেন— এমন আশঙ্কায় তদন্তকারী সংস্থার আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত এই কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। আদেশে বলা হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তারা দেশের বাইরে যেতে পারবেন না।
ঘটনার মূল বিবরণ
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা যায়, ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির অভ্যন্তরে বড় ধরনের আর্থিক কেলেঙ্কারি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ খতিয়ে দেখছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর মাহমুদ হাসান ও জান্নাতুন নেসা জাকিয়ার বিরুদ্ধে আইনি কার্যক্রম শুরু হয়।
- তদন্তাধীন বিষয়: প্রিমিয়ামের অর্থ লোপাট এবং কোম্পানির অভ্যন্তরীণ তহবিলে গরমিল।
- নিষেধাজ্ঞার কারণ: তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্তদের দেশে অবস্থান নিশ্চিত করা জরুরি বলে মনে করছে আদালত।
পরবর্তী পদক্ষেপ
আদালতের এই আদেশের অনুলিপি ইতোমধ্যে ইমিগ্রেশন বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে পাঠানো হয়েছে। ফলে বিমানবন্দর বা স্থলপথ— কোনোভাবেই এই দুই কর্মকর্তা দেশ ছাড়তে পারবেন না। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই আইনি কড়াকড়ি বহাল থাকবে।
নোট: এই প্রতিবেদনটি একটি সাধারণ সংবাদ কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে তৈরি। তদন্তকারী সংস্থা (যেমন দুদক বা পুলিশ) এবং নির্দিষ্ট আদালতের নাম যোগ করলে এটি আরও বস্তুনিষ্ঠ হবে।
জান্নাতুন নেসা জাকিয়ার আবেদনে বলা হয়, তার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানাধীন ও দুদকে সম্পদ বিবরনী দাখিল না করার অভিযোগের ভিত্তিতে মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি দেশ ছেড়ে বিদেশে পলায়ন করতে পারেন মর্মে অনুসন্ধানকালে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়। অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তার বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা একান্ত প্রয়োজন।
এনআর/জেডএস

